শিউলিমালা একাডেমি

Shiulimala

‘নবাব ফয়জুন্নেসা জামে মসজিদ’

ইসলামী সভ্যতার স্থাপনাসমূহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মসজিদ। বিশ্বের যে প্রান্তেই মুসলমানরা গিয়েছে, সেখানেই তারা নামাজ ও সামাজিক যোগাযোগের কেন্দ্র হিসেবে মসজিদ নির্মাণ করেছে। অধিকাংশ মসজিদই তৈরি হয়েছে স্থানীয় সংস্কৃতি এবং সে সময়ের স্থাপত্যশৈলীর উপর ভিত্তি করে। পাশাপাশি ইসলামী সংস্কৃতির অনন্য বৈশিষ্ট্যসমূহও এসব স্থাপনার মাধ্যমে ফুটে উঠেছে। মসজিদের মিনার, মিম্বার এগুলোর মাধ্যমে ইসলামের শা’য়ায়িরসমূহও ফুটে […]

     ‘উন্নত কৃষি’ ইসলামী সভ্যতার অনন্য উপহার

কৃষিতে অসামান্য উন্নয়নের মাধ্যমে হোক কিংবা আরবীতে লেখা কৃষিকাজের নির্দেশনামূলক বিরাট গ্রন্থের উপর নির্ভর করেই হোক, ইসলামি কৃষি সাম্প্রতিককালে বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও সামাজিকতার ইতিহাসবিদদের নিকট ব্যাপক আগ্রহের বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। Dr. Jaser Abu Safieh এর লেখা আরবী থেকে অনুদিত এ প্রবন্ধটিতে ইসলামী কৃষি ঐতিহ্যের কিছু লক্ষণীয় দিক ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং কৃষি কিভাবে ইসলামী সমাজ

‘ভোরের প্রতিশ্রুতিরুপে আন্দালুসিয়া’

একটি আন্দালুসিয় বিকেল। বেলা শেষের আলোকরশ্মি এসে পড়ে আন্দালুসিয়ার প্রাসাদে, মিলিয়ে যায় আরেকটি নতুন ভোরের প্রতিশ্রুতি দিয়ে… চিত্রকর: সাবরিনা সুমাইয়ারাজশাহী মেডিকেল কলেজশিল্পকলা বিভাগশিউলিমালা একাডেমি

‘ঐতিহাসিক ক্ষণ’ ফিলিস্তিন

দুঃখ – আমি দিবোনা কোন চিঠি আর তোমার ঠিকানায়,শোনাতে আসবো না হারানো প্রেমের গল্প,কোন ফাগুনের গান ধরবোনা,ব্যাঙের কোলাহল এখন বেমানান।কারণ এখন বারুদে আগুন দেয়ার সময়।জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে একযোগে আক্রমণের সময়।এই টাইফুন-তুফানে ভেসে যাবে সব আর্তনাদ আর জুলমের পাহাড়,শোক আর মৃত্যুর মিছিল ঠেলে, বিপন্ন সময়কে চিরবিদায় জানিয়ে,বিজয়ের ইতিহাস লিখবো আমরাই।সেই ঐতিহাসিক ক্ষণ খুব সামনেই। ইনশাআল্লাহ। কবিতা: সাবরিনা সুমাইয়াআর্ট:

‘ফিলিস্তিন’

উম্মাহর মুক্তির প্রতীক হয়ে ওঠা ফিলিস্তিনের প্রাণকেন্দ্র ও ঐতিহ্যের মিশেলে ফিলিস্তিনের চার রঙা জাতীয় পতাকা! কালো : ফিলিস্তিনিদের জাতীয় পরিচয় ও প্রতিরোধের প্রতীক সাদা-কালো কেফিয়্যাহ (স্কার্ফ)।সাদা : সাদার মাঝে স্বর্নালী-হলুদ গম্বুজের মসজিদুল আকসা।সবুজ : শান্তির প্রতীক জয়তুন গাছ।লাল : ফিলিস্তিনের ঐতিহ্যবাহী এমব্রয়ডারি কাজ ‘তারতিজ’। চিত্রকর : মাহবুবা রহমান তাবাসসুমসদস্য,শিল্পকলা বিভাগ, শিউলিমালা একাডেমি

‘আল কুদস’

হে আমার কুদস!আমি জানি, আমি খুব জানি, খুন রাঙা সরোবরের নিচে তুমি লুকিয়ে রেখেছো এক চাপা কান্নার নির্ঝরিণী!এ কান্না একাকীত্বের, অসহায়ত্বের;প্রশান্তির ঘুমপুরীতে একলা জাগরণের দুঃস্বপ্নে কুঁকড়ে যাওয়া অনুভবের, ছিনতাই হয়ে যাওয়া মুক্ত বাতাসে ডানা মেলা বৈভবের… চিত্রকর: তাহসিনা মাহফিসদস্য,শিল্পকলা বিভাগ,শিউলিমালা একাডেমি

‘মদিনা’

“তোমার নামে একি নেশা হে প্রিয় হজরত।যত চাহি তত কাঁদি, আমার মেটে না হসরত।কোথায় আরব কোথায় এ হিন্দ্নয়নে মোর নাই তবু নিন্দপ্রাণে শুধু জাগে (তোমার) মদিনার ঐ পথ।কে বলে তুমি গেছ চলে হাজার বছর আগেআছ লুকিয়ে তুমি প্রিয়তম আমার অনুরাগে।” আর্ট: রাহিমা রিমাআর্ট এন্ড ফটোগ্রাফি ক্লাবশিউলিমালা একাডেমি

তেজহিপ শিল্প

ইসলামী চিত্রশিল্পের এক অন্যতম শাখা হলো তেজহিপ, যা মূলত পবিত্র গ্রন্থ ও পাণ্ডুলিপির অলংকরণের জন্য ব্যবহৃত হত। তুর্কি ভাষায় “তেজহিপ” শব্দের অর্থ “সোনালি করা” বা “সোনার প্রলেপ লাগানো”, যা এই শিল্পের মূল বৈশিষ্ট্যকে প্রতিফলিত করে।তেজহিপের মাধ্যমে কুরআন, হাদিস এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দলিলগুলো সজ্জিত করা হতো। উসমানীয় সাম্রাজ্যে তেজহিপ শুধু পাণ্ডুলিপি অলংকরণেই সীমাবদ্ধ ছিল না, এটি

‘মদীনা শহর’

রাসুলুল্লাহ (স) মদীনায় প্রবেশ করেই প্রথমে যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেন,তা হলো:১. মসজিদ প্রতিষ্ঠা২. বাজার প্রতিষ্ঠা৩. ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠামদীনায় ‘মসজিদে নববী’ হলো রাসুলের (স.) এর প্রতিষ্ঠিত সভ্যতার নুকতা।এই মসজিদকে কেন্দ্র করেই সেখানে মদীনা নামক শহর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং পরবর্তীতে সেখান থেকেই রাসুলের (স.) সাহাবীরা ছড়িয়ে পড়েছেন দিক-দিগন্তে।পৌঁছে দিয়েছেন শান্তির বাণী, আর প্রতিষ্ঠা করেছেন বড় বড় সব

‘ক্যালিগ্রাফি’

আল্লাহর সাথে মানুষের সম্পর্ক নিরুপণকারী একটি হরফ আলিফ। এই সম্পর্ক হচ্ছে ইলাহী বাস্তবতার সাথে একটি কার্যকর সংযোগ প্রতিষ্ঠা করা যা মানুষের জীবনপ্রবাহ ও আল্লাহর অনন্য ব্যবস্থার মাঝে এমন সম্পর্ক তৈরি করে; যাতে মানুষের প্রত্যয় ও কর্ম, তাঁর জীবনের লক্ষ্য ও বিশ্বজগতের লক্ষ্যের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় এক নিবিড় ঐক্য; মজবুত সংহতি। আল্লাহর সাথে বান্দার এ সম্পর্কে