শিউলিমালা একাডেমি

Shiulimala

“ROAD TO BAYT AL MAQDIS”

শিউলিমালা একাডেমি-এর আয়োজনে ০৫ দিনব্যাপী “ROAD TO BAYT AL MAQDIS” ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক্যাম্প পরিচালনা করছেন– ফি/লি/স্তি/নের প্রখ্যাত চিন্তাবিদ, সমাজ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডঃ আব্দুল ফাত্তাহ আল ওয়াইসি।।একাডেমির বাছাইকৃত শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত ক্যাম্পটি সনদ প্রদানের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এই ক্যাম্পটি সম্পন্ন করার মাধ্যমে একাডেমির ২৫ জন শিক্ষার্থী এ সনদ লাভ করেছে।সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে […]

রহমের দর্পণে প্রাণীকূল : ইসলামী সভ্যতা বনাম পাশ্চাত্য

প্রাণিকুলের অধিকার রক্ষা ও তাদের কল্যাণার্থে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৪ অক্টোবর পালিত হয় ‘বিশ্ব প্রাণী দিবস’। ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে ১৯৩১ সালে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের এক সম্মেলনে দিবসটি ঘোষণা করা হয়। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ন্যাচার ওয়াচ ফাউন্ডেশন দিবসটি সারাবিশ্বে প্রাণীপ্রেমীদের নিয়ে পালন করে থাকে। যেই ইউরোপীয়রা প্রাণীদের প্রতি এতটা সহানুভূতি বিশ্বের সামনে দেখিয়ে থাকে, বাস্তবে তারা প্রাণীদের সাথে কেমন আচরণ

ইসলামী সভ্যতায় নারীদের স্বরূপ ও ভূমিকা

মানুষকে কোন দৃষ্টিতে, কোন আঙ্গিকে বা কোন দর্শন দিয়ে বিচার করা হয়, সে বিষয়টা বরাবরই ইসলামের অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক, উভয়ক্ষেত্রেই আলাপ-আলোচনা ও পর্যালোচনার মৌলিক একটি বিষয় ছিল। স্বাভাবিকভাবেই প্রসঙ্গত আলোচনায় আসত নারী-পুরুষের জীবনধারণের পদ্ধতি, সামাজিক অবস্থান, কর্মক্ষেত্র ও পৃথিবীতে আল্লাহর একজন প্রতিনিধি হিসেবে তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য নিয়ে। আর প্রতিবারই ইসলাম এ’বিষয়গুলোর যৌক্তিক পর্যালোচনা করার পাশাপাশি বিরোধীদের

বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দরের ইতিহাস ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে শত শত বছর ধরে চলে আশা সমুদ্র বাণিজ্য একটি দেশের প্রাণস্বরুপ। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমুদ্র বন্দর সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়ার একটি উপকূলীয় দেশ, যার রয়েছে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূল রেখা। এই ভৌগোলিক অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার বাণিজ্য ও যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সমৃদ্ধ তিনটি

শোষণ ও সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বায়ন – অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত

এক. একটা সময় ছিল যখন মানবজীবনের সমস্যাগুলো শুধুমাত্র পরিবার, গোত্র বা সমাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, অথবা এভাবেও বলতে পারি, অতীতে মানবজীবনে যে সব সমস্যা উদ্ভুত হতো সেগুলো শুধুমাত্র ব্যক্তি, পরিবার, গোত্র কিংবা সমাজের সাথে সম্পর্কিত ছিল। আর সে সকল সমস্যা সমাধান করার জন্য তাদেরকে এসব (ব্যক্তি, পরিবার, গোত্র বা সমাজ) ক্ষেত্রের বাইরে চিন্তা করতে হতো

“হারিয়ে যাওয়া মক্তব ও তার ইতিহাস “

উপমহাদেশে মক্তব শিক্ষা শুরু যেভাবে: আলিফ যবর- আ। বা যবর- বা। তা যবর- তা। অসংখ্য মক্তবে পাখির মতো নিষ্পাপ শিশুদের কুজন-কলরবে মুখরিত এ সবুজ শ্যামল বাংলাদেশের প্রতিটি রোদরাঙা শিশির ভেজা সকাল। ছোট্ট ছোট্ট ছেলেমেয়েরা টুপি পড়ে ওড়না জড়িয়ে ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে দল বেঁধে ছুটে চলে পাড়ার মসজিদের দিকে। মসজিদের ভেতরে বা চত্বরে ইমাম

বাংলার বস্ত্রশিল্পের শুরু যেখান থেকে…

ভূমিকা : সুদূর অতীতকাল থেকে বাংলা ভূ-খন্ড যে কারণে পৃথিবীব্যাপী সুপরিচিত ছিল, আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করেছিল, তার অন্যতম প্রধান কারণ হলো বয়নশিল্প বা বুননশিল্প। সেই সূত্রে বাংলার মসলিনের কিংবদন্তী আজও সবার মুখে মুখে ফেরে। শত শত বছর ধরে অতি সাধারণ স্থানীয় কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে বাংলাদেশের তাঁতিরা দক্ষ হাতে  চরম নিপুণতার সহিত যেসব উৎকৃষ্ট ছড়িয়ে

“ইসলামের আলোকে শিল্প ও ফ্যাশনের দৃষ্টিভঙ্গি”

শিউলিমালা একাডেমির একাডেমি বিভাগের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ২০২৪ এর শেষ সেমিনার। “ইসলামের আলোকে শিল্প ও ফ্যাশনের দৃষ্টিভঙ্গি” শীর্ষক এই সেমিনারটি নিয়েছেন তরুণ ফ্যাশন গবেষক, সানিয়া মাহবুবা। উক্ত সেমিনারে, আলোচক ফ্যাশন এবং ননন্দতত্ত্বে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। কুরআন এবং হাদীসের পাশাপাশি বিভিন্ন মাযহাবের ইমামগণ পোশাক এবং ফ্যাশনকে কীভাবে দেখেছেন, তা তুলে ধরেন। পরবর্তীতে ইসলামী সভ্যতার

   ইসলামের ইতিহাসে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী মুসলিম নারীগণ 

আমরা সকলেই কমবেশি এ’কথার সাথে অভ্যস্ত যে, ইসলামী সভ্যতায় চিকিৎসাশাস্ত্রের ইতিহাসে মুসলিম নারীদের অবদান খুব একটা নেই বললেই চলে। এমনকি অনেকেই মনে করেন, এই অঙ্গনে নারীদের তেমন কোনো ভূমিকা নেই। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে ইসলামী সভ্যতার স্বর্ণালী ইতিহাসে বৈশ্বিক ও ধর্মীয় যেকোনো ক্ষেত্রে মুসলিম নারীদের যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো, তেমন-ই স্বাস্থ্যখাতেও তাদের অবদান ছিলো অপরিসীম, যা

নগরায়ন ও পরিবেশ; প্রেক্ষিতে ইসলামী সভ্যতা ও বর্তমান বাংলাদেশ

নগরায়ন একটি সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সুপরিকল্পিত নগরায়ন ছাড়া কোনো সভ্যতায়ই টিকতে পারে না। মূলত, পরিকল্পিত নগরায়নই সভ্যতাকে পরিপূর্ণতা দান করে। আমরা ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখতে পাই, বহু বছর ধরে টিকে থাকা সভ্যতাসমূহ তাদের নগরায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। তারা তাদের নগরকে পরিকল্পিতভাবে সুন্দর করে সাজিয়েছে। নগরকে নাগরিকদের জন্য বালাদিল আমিন তথা নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তুলেছে।